বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬

ভূমিকা

চা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল ও রপ্তানী পন্য। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও ক্রমাগত শহরায়নে জনতার শহরমূখীতার কারনে চায়ের আভ্যন্তরীন চাহিদার পরিমান দ্রুত বেড়ে চলছে। বাংলাদেশের চা আভ্যন্তরীন চাহিদা মিটিয়েও প্রতি বছর আনুমানিক ১ মিলিয়ন কেজি চা বিদেশে রপ্তানী হয়ে থাকে। বাংলাদেশে চা চাষ শুরু হয় ঊনিশ শতকের গোড়ার দিকে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১৬২টি চা বাগানের ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে প্রতি বছর ৬৭ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হচ্ছে। জাতীয় অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব বহুদিনের এবং সুদূর প্রসারী। গবেষণার মাধ্যমে উন্নততর প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও প্রয়োগের ধারাবাহিকতার লক্ষ্যেই ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই)।

 

চায়ের রাজ্যখ্যাত সবুজ শ্যামলে ঘেরা শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এর প্রধান কার্যালয়। গবেষণার মাধ্যমে উন্নততর প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও প্রয়োগের ধারাবাহিকতার লক্ষ্যেই ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই)। শুরু থেকেই বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউটটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এ ইনষ্টিটিউটের বর্তমানে ৩টি পূর্নাঙ্গ ও একটি নতুন সৃষ্ট উপকেন্দ্র রয়েছে। উপকেন্দ্রগুলোর একটি মৌলভীবাজার জেলায় কালিটিতে, একটি সিলেট শহরে (বর্তমানে কার্যক্রম স্থগিত) এবং একটি চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়িতে অবস্থিত। নতুন উপকেন্দ্রটি উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০১ খ্রীষ্টাব্দে তার কার্যক্রমের সূচনা করেছে। বৈজ্ঞানিক গবেষনার মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীলতা ও গুনগত মান বৃদ্ধি, চা শিল্পের উন্নয়ন ও উৎকর্ষে বিজ্ঞান ভিত্তিক পরামর্শ ও সহায়তা দান এবং গবেণালব্ধ প্রযুক্তি চা শিল্পে বিস্তার করাই এ প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য। বর্তমানে এ ইনষ্টিটিউট National Agricultural Research System (NARS) এর ১২ টি জাতীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবেও পরিগনিত।


Share with :
Facebook Facebook